শিক্ষা ভবনখ্যাত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) আজ বুধবার পরিদর্শনে গিয়ে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে এক কর্মচারীকে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ সময় অভিযুক্ত কমচারীর বিরুদ্ধে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাউশির মহাপরিচালক নোমান উর রশীদকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
পরে কোড পরিবর্তন শাখার অভিযুক্ত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মনিরুল ইসলামকে তাত্ক্ষণিকভাবে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ির রাণী নীহার দেবী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে বদলি করা হয়।
এ সময় মন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীর হুঁশিয়ারি করে বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই অধিদপ্তরের ইতিবাচক ইমেজ নিশ্চিত করতে হবে। অভিযোগ পেলে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। শিক্ষা ভবনে কোনো অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ ও শিক্ষক ভোগান্তিকারী থাকতে পারবে না।
বেলা ১১টায় আকস্মিকভাবেই শিক্ষা ভবনে যান মন্ত্রী। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এ সময় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসা শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন। এর মধ্যে একজন শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি কোড পরিবর্তন শাখায় অভিযুক্তের সামনে হাজির হন মন্ত্রী এবং সামনাসামনি কথা বলে ঘুষের অভিযোগে তাত্ক্ষণিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরে অভিযুক্ত অফিস সহকারীকে বদলি পাশাপাশি ঘটনা তদন্তের জন্য মাউশির পরিচালককে (মাধ্যমিক) আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। পরে মন্ত্রী মহাপরিচালকসহ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন এবং মাউশির সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করেন।
মন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনায় এক স্কুল কর্মচারী চাকরিচ্যুত: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ চারজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে বদলির জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকার ইসলামিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. জালাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এক আদেশ জারি করেছে।
এ বিষয়ে মাউশির মহাপরিচালক নোমান উর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁকে আগেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এখন চূড়ান্তভাবে চাকরিচ্যুত করা হলো।
সূত্র:প্রথমআলো.কম, ১৭/০৮/২০১১
পরে কোড পরিবর্তন শাখার অভিযুক্ত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মনিরুল ইসলামকে তাত্ক্ষণিকভাবে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ির রাণী নীহার দেবী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে বদলি করা হয়।
এ সময় মন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীর হুঁশিয়ারি করে বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই অধিদপ্তরের ইতিবাচক ইমেজ নিশ্চিত করতে হবে। অভিযোগ পেলে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। শিক্ষা ভবনে কোনো অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ ও শিক্ষক ভোগান্তিকারী থাকতে পারবে না।
বেলা ১১টায় আকস্মিকভাবেই শিক্ষা ভবনে যান মন্ত্রী। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এ সময় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসা শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন। এর মধ্যে একজন শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি কোড পরিবর্তন শাখায় অভিযুক্তের সামনে হাজির হন মন্ত্রী এবং সামনাসামনি কথা বলে ঘুষের অভিযোগে তাত্ক্ষণিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরে অভিযুক্ত অফিস সহকারীকে বদলি পাশাপাশি ঘটনা তদন্তের জন্য মাউশির পরিচালককে (মাধ্যমিক) আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। পরে মন্ত্রী মহাপরিচালকসহ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন এবং মাউশির সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করেন।
মন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনায় এক স্কুল কর্মচারী চাকরিচ্যুত: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ চারজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে বদলির জন্য চাপ সৃষ্টির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকার ইসলামিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. জালাল উদ্দিনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এক আদেশ জারি করেছে।
এ বিষয়ে মাউশির মহাপরিচালক নোমান উর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁকে আগেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এখন চূড়ান্তভাবে চাকরিচ্যুত করা হলো।
সূত্র:প্রথমআলো.কম, ১৭/০৮/২০১১

No comments:
Post a Comment